Class - 6
ইতিহাস
দ্বিতীয় অধ্যায়
ভারতীয় উপমহাদেশের আদিম মানুষ
গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
১) কি নিয়ে মানুষের ইতিহাস রচিত হয়েছে?
উত্তর: মানুষ ও মানুষের কাজকর্ম নিয়ে।
২) লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীর স্থলভাগ কিসে ঢাকা ছিল?
উত্তর:ঘন জঙ্গলে ঢাকা।
৩) একমাত্র কোন প্রাণী হাতের বুড়ো আঙুলকে কোনো কিছু ধরার কাজে ব্যবহার করে?
উত্তর:মানুষ।
৪) এপ কাদের বলা হত? এদের আদি বাসস্থান কোথায়?
উত্তর:লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে একপ্রকার বড় বানর ছিল, যাদের কোনো লেজ ছিল না। এদের এপ বলা হত।
এদের আদি বাসস্থান ছিল আফ্রিকা মহাদেশের পূর্ব অংশের ঘন জঙ্গলে।
৫) এপ থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া মানুষের পরিবারকে কি বলা হয়?
উত্তর:হোমিনিড।
৬) এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে পুরানো আদিম মানুষের খোঁজ কোথায় পাওয়া গেছে?
উত্তর:পূর্ব আফ্রিকাতে।
৭) আদিম কথার অর্থ কি?
উত্তর:খুব পুরানো।
৮) মানুষের মেরুদণ্ডের উপর কি আছে?
উত্তর:একটি বড় মস্তিস্ক।
৯) মূলত কিসের আকার থেকে আদিম মানুষের নানারকম ভাগ করা হয়?
উত্তর:মস্তিস্কের আকার থেকে।
১০) প্রথম এপ থেকে বিবর্তিত হওয়া মানুষ প্রজাতি কোনটি?
উত্তর:অস্ট্রালোপিথেকাস।
১১) অস্ট্রালোপিথেকাস এর অর্থ কি?
উত্তর:এপ থেকে মানুষ।
১২) কোন প্রজাতির মানুষ প্রথম পাথরকে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করত?
উত্তর:হোমো হাবিলিস।
১৩) কোন প্রজাতির মানুষ প্রথম আগুনের ব্যবহার শিখেছিল?
উত্তর:হোমো ইরেকটাস।
১৪) কোন প্রজাতির মানুষ দুই পায়ে ভর করে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারত?
উত্তর:হোমো ইরেকটাস।
১৫) প্রথম বুদ্ধিমান মানুষ প্রজাতি কোনটি?
উত্তর:হোমো সেপিয়েন্স।
১৭) হোমো ইরেকটাস এর অর্থ কি?
উত্তর:সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষ।
১৯) লুসি কি?
উত্তর:আফ্রিকা মহাদেশের ইথিওপিয়ায় ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দে একটা অস্ট্রালোপিথেকাসের কঙ্কাল পাওয়া গেছে। কঙ্কালটি ৩২ লক্ষ বছর আগের একটি ছোট মেয়ের। এই কঙ্কালটির নাম দেওয়া হয়েছিল লুসি।
২০) আদিম মানুষ প্রথম কি খেত?
উত্তর:কাঁচা মাংস ও ফলমূল।
১৬) হোমো হাবিলিস এর অর্থ কি?
উত্তর:দক্ষ মানুষ।
১৮) হোমো স্যাপিয়েন্স এর অর্থ কি?
উত্তর:বুদ্ধিমান মানুষ।
২১) আদিম মানুষের প্রথম হাতিয়ার কি ছিল?
উত্তর:ভোঁতা পাথর।
২২) আদিম মানুষের জীবনে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ আবিস্কার কি?
উত্তর:আগুন।
২৩) বনে লাগা আগুনকে কি বলা হয়?
উত্তর:দাবানল।
২৪) কিসের ব্যবহার আদিম মানুষের খাবার অভ্যাস বদলে দিয়েছিল?
উত্তর:আগুনের ব্যবহার।
২৫) আদিম মানুষ প্রচণ্ড শীত ও ভয়ানক জন্তুদের আক্রমণ মোকাবিলা করার জন্য কিসের ব্যবহার শুরু করেছিল?
উত্তর:আগুনের ব্যবহার।
২৬) পুরানো পাথরের যুগের মানুষ কোথায় বাস করত?
উত্তর:গুহায় অথবা খোলা আকাশের নীচে।
২৭) পুরানো পাথরের যুগে মানুষ ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে কি পরত?
উত্তর:পশুর চামড়া ও গাছের ছাল।
২৮) ভারতীয় উপমহাদেশে সবচেয়ে পুরোনো পাথরের অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
উত্তর:কাশ্মীরের সোয়ান উপত্যকায়।
২৯) পাকিস্তান এবং হিমাচলপ্রদেশের কোথায় পুরোনো পাথরের হাতিয়ার মিলেছে?
উত্তর:পাকিস্তানের পটোয়ার মালভূমিতে এবং হিমাচলপ্রদেশের শিবালিক পর্বত অঞ্চলে।
৩০) ভীমবেটকা গুহা কোথায় অবস্থিত? কত খ্রিষ্টাব্দে এখানে গুহার খোঁজ পাওয়া যায়?
উত্তর:মধ্যপ্রদেশের ভূপাল থেকে কিছুটা দূরে অবস্থিত। ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে এখানে গুহার খোঁজ পাওয়া যায়।
৩১) ভীমবেটকায় মানুষের সঙ্গে আর কার চিত্র দেখা যায়?
উত্তর:কুকুরের চিত্র।
৩২) হুন্সগি উপত্যকা কোথায় অবস্থিত? এটি কি জন্য বিখ্যাত?
উত্তর:কর্ণাটকের গুলবর্গা জেলার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।
এখানে ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে মাটি খুঁড়ে পুরোনো পাথরের যুগের হাতিয়ার পাওয়া গেছে।
৩৩) হুন্সগি উপত্যকার পাশ দিয়ে কি বয়ে গেছে?
উত্তর:কাথটা হাল্লা খাল বয়ে গেছে।
৩৪) আলতামিরা গুহা কোথায় অবস্থিত?
উত্তর:ইউরোপের স্পেনে।
৩৫) আলতামিরা গুহার ছাদে কীসের ছবি আঁকা ছিল?
উত্তর:বিশাল বড় একটি ষাঁড়ের ছবি।
৩৬) ট্যারো ট্যারো শব্দের অর্থ কি?
উত্তর:ষাঁড় ষাঁড়।
৩৭) উত্তরপ্রদেশের কোথায় দুদিক ধারওয়ালা ছুরির সন্ধান পাওয়া গেছে?
উত্তর:সরাই নহর রাইতে।
৩৮) কোথায় আট হাজার বছরের পুরোনো বন্য পশুর হাড় পাওয়া গেছে?
উত্তর:নর্মদা উপত্যকার আদমগড়ে।
৩৯) রাজস্থানের কোথায় আদিম মানুষের বসতির সন্ধান পাওয়া গেছে?
উত্তর:বাগোড়ে।
৪০) কোন যুগে আদিম মানুষ প্রথম কৃষিকাজ শেখে?
উত্তর:নতুন পাথরের যুগে।
৪১) নতুন পাথরের যুগ কোন কোন দিক থেকে নতুন ছিল?
উত্তর:এই যুগের হাতিয়ার ছিল আগের তুলনায় অনেক হালকা ও ধারালো। এই সময় মাটির পাত্র বানানো ও কৃষিকাজ শুরু হয়েছিল। মানুষ যাযাবর জীবন ছেড়ে একটি অঞ্চলে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেছিল।
৪২)মস্তিষ্কের আকারের ওপর ভিত্তি করে আদিম মানুষকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কী কী?
উত্তর:- মস্তিষ্কের আকারের ওপর ভিত্তি করে আদিম মানুষকে চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা,-
১. অস্ট্রালোপিথেকাস : এপ থেকে মানুষ।
২. হোমো হাবিলিস : দক্ষ মানুষ।
৩. হোমো ইরেকটাস: সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারা
মানুষ।
৪. হোমো স্যাপিয়েন্স : বুদ্ধিমান মানুষ।
৪৩)অস্ট্রালোপিথেকাস (এপ থেকে মানুষ) এর বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- অস্ট্রালোপিথেকাসের বৈশিষ্ট্যগুলি হল, -
i. এরা আনুমানিক ৪০ লক্ষ থেকে ৩০ লক্ষ বছর আগে ছিল।
ii. এরা দু পায়ে ভর দিয়ে কোনোক্রমে দাঁড়াতে পারত।
iii. শক্ত বাদাম, শুকনো ফল চিবিয়ে খেত। চোয়াল ছিল শক্ত, সুগঠিত।
iv. এরা গাছে ডাল দিয়ে ধাক্কা মারত, পাথর ছুঁড়তে চেষ্টা করত।
৪৪). হোমো হাবিলিস (দক্ষ মানুষ) এর বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- হোমো হাবিলিসের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. আনুমানিক ২৬ - ১৭ লক্ষ বছর আগে এরা ছিল।
ii. এরা দলবদ্ধভাবে থাকত। হাঁটতে পারত।
iii. ফলমূলের পাশাপাশি এরা সম্ভবত কাঁচা মাংস খেত।
iv. এরাই প্রথম পাথরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে একটা পাথর দিয়ে আরেকটা পাথরকে জোরে আঘাত করে পাথরের অস্ত্র বানাত।
৪৫) হোমো ইরেকটাস (সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারা মানুষ) এর বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- হোমো ইরেকটাসের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. এরা আনুমানিক ২০ লক্ষ ৩ লক্ষ ৫০ বছর আগে ছিল।
ii. এরা দু পায়ে ভর করে সোজা হয়ে দাঁড়াত। দলবদ্ধভাবে গুহায় থাকত।
iii. এরা শিকার করতে পারত। এরাই প্রথম আগুনের ব্যবহার শিখেছিল।
iv. এরা স্তরকাটা নুড়ি পাথরের হাতিয়ার বানিয়েছিল।
শেষ দিকে হাতকুঠার বানিয়েছিল।
৪৬).হোমো স্যাপিয়েন্সের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- হোমো স্যাপিয়েন্সের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. এরা আনুমানিক ২ লক্ষ ৩০ হাজার বছর আগে এসেছিল।
ii. এরা দল বেঁধে বড়ো পশু শিকার করত।
iii. নানা কাজে আগুনের ব্যবহার করত। পশুর মাংস পুড়িয়ে খেত।
iv. পশুর চামড়া পরত।
v. এরা ছোটো, তীক্ষ্ণ ও ধারালো পাথরের অস্ত্র তৈরি করতে শিখেছিল। এরা বর্শা জাতীয় পাথরের অস্ত্র বানাতে পারত।
৪৭) পাথরের যুগকে কয়টি পর্যায়ে ভাগ করা হয়? ও কী কী?
উত্তর:- পাথরের যুগকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়। যথা,-
i. পুরোনো পাথরের যুগ।
ii. মাঝের পাথরের যুগ।
iii. নতুন পাথরের যুগ।
৪৮)পুরোনো পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- পুরোনো পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০ লক্ষ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০ হাজার বছর ছিল পুরোনো পাথরের সময়কাল।
ii. পুরোনো পাথরের যুগের হাতিয়ারগুলি ছিল বড়ো, ভারী ও এবড়োখেবড়ো।
iii. এই সময় আদিম মানুষ শিকার করে ও বনের ফলমূল জোগাড় করে খেত।
iv. এই সময় মানুষ খোলা আকাশের নীচে কখনও বা গুহায় থাকত।
৪৯) মাঝের পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- মাঝের পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০ হাজার থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৮ হাজার বছর ছিল মাঝের পাথরের যুগের সময়কাল।
ii. মাঝের পাথরের যুগের হাতিয়ারগুলি ছিল ছোটো, হালকা ও ধারালো।
iii. এই সময় মানুষ শিকার ও বনের ফলমূল জোগাড়ের পাশাপাশি পশুপালন শুরু করে।
iv. এই সময় মানুষ গুহা থেকে বেরিয়ে ছোটো ছোটো বসতি বানানো শুরু করে।
৫০) নতুন পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।
উত্তর:- নতুন পাথরের যুগের বৈশিষ্ট্যগুলি হল,-
i. আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৮ হাজার থেকে খ্রিস্টপূর্ব ৪ হাজার বছর ছিল নতুন পাথরের যুগের সময়কাল।
ii. নতুন পাথরের যুগের হাতিয়ারগুলো ছিল হালকা ও ধারালো।
iii. এই সময় পশুপালনের পাশাপাশি কৃষিকাজ শুরু হয়। মাটির পাত্র বানানো শুরু হয়।
iv. এই সময় যাযাবর জীবন ছেড়ে একটা অঞ্চলে স্থায়ী বসতি বানানো শুরু হয়।
৫১) দাবানল কাকে বলে?
উত্তর:- গ্রীষ্মকালে বনাঞ্চলে গাছের ডালে ঘর্ষণের ফলে সৃষ্ট আগুনকে দাবানল বলে।
৫২) কীভাবে আদিম মানুষ আগুন জ্বালাতে শিখেছিল?
উত্তর:- চকমকি পাথর ঠুকে।
৫৩) আগুনের ব্যবহারের ফলে মানুষের জীবনে কী কী বদল দেখা যায়।
উত্তর:- আগুনের ব্যবহারের ফলে মানুষের জীবনে বেশকিছু বদল দেখা যায়। যেমন,-
i. আগুন প্রচন্ড শীতের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাত।
ii. জন্তুদের আক্রমণ থেকে বাঁচতে আগুনের ব্যবহার শুরু হয়।
iii. আগুনের ব্যবহারের ফলে মানুষ কাঁচা খাওয়ার বদলে আগুনে খাবার ঝলসে খেতে শুরু করে।
iv. ঝলসানো নরম মাংস খেতে চোয়ালে ও দাঁতে কম জোর লাগে। তাই আগুনের ব্যবহার শুরু হওয়ার পর মানুষের চোয়াল ধীরে ধীরে সরু হয়, দাঁত ছোটো হয়। ফলে চেহারার পরিবর্তন আসে।
৫৪) পুরোনো পাথরের যুগে আদিম মানুষের জীবন কেমন ছিল?
উত্তর:- পুরোনো পাথরের যুগে আদিম মানুষের জীবন ছিল বেশ কঠিন ও কষ্টের। তারা দল বেঁধে পশু শিকার করত। মিলেমিশে খাবার ভাগ করে খেত। প্রচন্ড ঠান্ডা থেকে বাঁচতে পশুর চামড়া, গাছের ছাল পরত। আদিম মানুষ তখনও পোশাক তৈরি করতে শেখেনি।
৫৫) ভীমবেটকা গুহা কোথায় অবস্থিত?
উত্তর:- মধ্যপ্রদেশের ভূপালে।
৫৬) টীকা লেখো ভীমবেটকা গুহা
উত্তর:- ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে ভীমবেটকায় বেশকিছু গুহার খোঁজ পাওয়া যায়। ঐ গুহাগুলিতে পুরাতন পাথরের যুগ থেকে আদিম মানুষেরা থাকতে শুরু করে। গুহার দেয়ালে তাদের আঁকা ছবি পাওয়া গেছে। প্রায় সবই শিকারের দৃশ্য। তাছাড়া পাখি, মাছ, কাঠবিড়ালির মতো প্রাণীর ছবিও দেখা যায়। ছবি গুলিতে সাদা ও লাল রঙের ব্যবহার বেশি দেখা যায়।
৫৭) টীকা লেখো: হুন্সগি উপত্যকা
উত্তর:- কর্ণাটকের গুলবর্গা জেলার উত্তর পশ্চিমে হুন্সগি উপত্যকায় ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে মাটি খুঁড়ে পুরোনো পাথরের যুগের হাতিয়ার পাওয়া গেছে। সেগুলি আজ থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় লক্ষ বছর আগেরকার। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল হাত কুড়ুল, ছোরা, চাঁছুনি জাতীয়। অনেকের মতে হুন্সগিতে পাথরের হাতিয়ার তৈরি হত।
৫৮)মাঝের পাথরের যুগের মানুষের জীবনযাত্রা কেমন ছিল?
উত্তর:- মাঝের পাথরের যুগে আরও উন্নত হাতিয়ার বানানো শুরু হয়। এই সময় পশুর মাংস ঝলসানোর জন্য আগুনের ব্যবহার করা হত। আদিম মানুষ তখনও শিকারি ছিল। পশু পালনের ফলে খাবার ও দুধ পাওয়া যেত। কুমোরের চাকার ব্যবহার তখনও শুরু হয়নি।
৫৯) টীকা লেখো: বাগোড়
উত্তর:- রাজস্থানের বাগোড়ে আদিম মানুষের বসতির চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রথম দিকে বাগোড়ের বাসিন্দারা শিকার করেই খাবার জোটাত। কিছু কিছু পশুপালন ও তাদের জানা ছিল। বাগোড়ের মানুষ ধীরে ধীরে গৃহপালিত পশুর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিল।
