সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান প্রথম অধ্যায় - তাপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর class 7 poribesh chapter 1 heat

 সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান
 প্রথম অধ্যায় - তাপ
গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর
সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ ও বিজ্ঞান  প্রথম অধ্যায় - তাপ গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নের উত্তর

১) তাপ কি?

উত্তর:তাপ হল একপ্রকার শক্তি, যা গ্রহণ করলে বস্তু উত্তপ্ত হয় এবং বর্জন করলে বস্তু ঠাণ্ডা হয়।


২) তাপের একক কি?

উত্তর:CGS পদ্ধতিতে- ক্যালোরি।

SI পদ্ধতিতে- জুল।


৩) ক্যালোরি কাকে বলে?

উত্তর:1 গ্রাম বিশুদ্ধ জলের উষ্ণতা 1° C বৃদ্ধি করতে যে তাপ লাগে, তাকে 1 ক্যালোরি বলে।


৪) উষ্ণতা মাপার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?

উত্তর:থার্মোমিটার।


৫) কোনো বস্তু দ্বারা গৃহীত বা বর্জিত তাপের পরিমাণ কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে?

উত্তর:বস্তুর ভর, বস্তুর উষ্ণতা এবং বস্তুর উপাদানের উপর।


৬) তাপ সর্বদা কোনদিক থেকে কোনদিকে প্রবাহিত হয়?

উত্তর:বেশি উষ্ণতার বস্তু থেকে কম উষ্ণতার বস্তুর দিকে।


৭) পারদ থার্মোমিটার কি?

উত্তর:যে থার্মোমিটারে উষ্ণতা মাপক তরল হিসাবে পারদ ব্যবহার হয়, তাকে পারদ থার্মোমিটার বলে।


৮) থার্মোমিটারে পারদ ছাড়া আর কোন তরল ব্যবহার করা যেতে পারে?

উত্তর:অ্যালকোহল।


৯) সেলসিয়াস স্কেলের 100 ঘর ফারেনহাইট স্কেলের কত ঘরের সমান?

উত্তর:180 ঘরের সমান।


১০) 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং 0 ডিগ্রি ফারেনহাইট এর মধ্যে কোনটি কম?

উত্তর: 0 ডিগ্রি ফারেনহাইট।


১১) 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস কত ডিগ্রি ফারেনহাইট এর সমান?

উত্তর:32 ডিগ্রি ফারেনহাইট এর সমান।


১২) উষ্ণতার কোন মান সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট উভয় স্কেলেই সমান?

উত্তর: -40 ডিগ্রি।


১৩) জলের স্ফুটনাঙ্ক কত?

উত্তর:সেলসিয়াস স্কেলে= 100° C

ফারেনহাইট স্কেলে= 212° F


১৪) লীনতাপ কাকে বলে?

উত্তর: যে তাপ গ্রহণে বা বর্জনে বস্তুর উষ্ণতার পরিবর্তন না হয়ে শুধু অবস্থার পরিবর্তন হয়, তাকে লীনতাপ বলে।


১৫) কোন তাপ থার্মোমিটারের পাঠের কোনো পরিবর্তন করে না?

উত্তর:লীনতাপ।


১৬) গলন কাকে বলে?

উত্তর:তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের তরলে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে গলন বলে।


১৭) বরফ গলনের লীনতাপ 80 ক্যালোরি / গ্রাম বলতে কি বোঝায়?

উত্তর:বরফ গলনের লীনতাপ 80 ক্যালোরি / গ্রাম বলতে বোঝায় যে, 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় 1 গ্রাম বরফকে সম্পূর্ণভাবে 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার জলে পরিণত করতে 80 ক্যালোরি তাপ প্রয়োজন হয়।


১৮) বাষ্পীভবন কাকে বলে?

উত্তর:তাপ প্রয়োগে তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে বলে বাষ্পীভবন।


১৯) কঠিনীভবন কাকে বলে?

উত্তর:তরল পদার্থ থেকে তাপ নিস্কাশন করে নিলে পদার্থটি কঠিন পদার্থে পরিণত হয়। এই ঘটনাকে কঠিনীভবন বলে।


২০) জলের বাষ্পীভবনের লীনতাপ 537 ক্যালোরি / গ্রাম বলতে কি বোঝায়?

উত্তর:জলের বাষ্পীভবনের লীনতাপ 537 ক্যালোরি / গ্রাম বলতে বোঝায় 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার 1 গ্রাম জলকে সম্পূর্ণভাবে 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বাষ্পে পরিণত করতে 537 ক্যালোরি তাপ দিতে হয়।


২১) 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতায় 1 গ্রাম জলীয় বাষ্পের তাপ একই উষ্ণতায় 1 গ্রাম জল অপেক্ষা বেশি হবে না কম হবে?

উত্তর:বেশি হবে।


২২) একটি বস্তুর উষ্ণতা 10 ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস করতে যতটা তাপ দরকার, 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস করতে তার কতগুণ তাপ দরকার?

উত্তর:দুই গুণ।


২৩) ফুটন্ত জল এবং স্টিম উভয়ের উষ্ণতাই 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু ফুটন্ত জলের চেয়ে স্টিমে হাত দিলে হাত বেশি পুড়ে যায় কেন?

উত্তর:100 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর জল অপেক্ষা 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর স্টিমে প্রতি গ্রামে 537 ক্যালোরি তাপ বেশি থাকে। তাই 100 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর স্টিমে হাত বেশি পুড়ে যায়।


২৪) ঘনীভবন কাকে বলে?

উত্তর:তাপ নিষ্কাশনের ফলে গ্যাসীয় পদার্থের তরলে পরিণত হওয়ার ঘটনাকে ঘনীভবন বলা হয়।


২৫) একটি খালি গ্লাসে একটি বড় মাপের বরফের টুকরো ফেলা হলে গ্লাসের বাইরের দিকে জলের ফোঁটা জমা হয় কেন?

উত্তর:কারণ- বাতাসের জলীয় বাষ্প ঘনীভবনের ফলে গ্লাসের গায়ে জলের ফোঁটার আকারে জমা হয়।


২৬) বাষ্পায়নের ফলে শৈত্যের উৎপত্তি হয় কেন?

উত্তর:যখন কোনো তরল বাষ্পে পরিণত হয় তখন তার লীনতাপের প্রয়োজন হয়। বাইরে থেকে তরলকে এই তাপ সরবরাহ করা না হলে যে পাত্রে তরলটি রাখা থাকে সেই পাত্র থেকে এই তাপ সংগ্রহ করে। ফলে তরল সহ পাত্রটি এবং নিকটস্থ পরিবেশ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। এই কারণে বাস্পায়নে শৈত্যের সৃষ্টি হয়।


২৭) দৈনন্দিন জীবনে লক্ষ করা যায় এমন একটি বাষ্পায়নের ঘটনা উল্লেখ কর।

উত্তর:জামাকাপড় রোদে দিলে শুকিয়ে যায়।


২৮) এমন কয়েকটি কঠিন পদার্থের নাম লেখ যাদের তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পীভবন ঘটে?

উত্তর:কপূর, নিশাদল, আয়োডিন, ন্যাপথলিন প্রভৃতি।


২৯) পদার্থের অবস্থা পরিবর্তনের লীনতাপ কাকে বলে?

উত্তর:একক ভরের কোনো পদার্থের উষ্ণতার পরিবর্তন না করে, শুধুমাত্র অবস্থার পরিবর্তন করতে পদার্থে যে পরিমাণ তাপ প্রয়োগ বা নিষ্কাশন করতে হয়, সেই পরিমাণ তাপকে ওই পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের লীনতাপ বলে।


৩০) তাপ প্রয়োগ করলেও পদার্থের উষ্ণতা অপরিবর্তিত থাকে কখন?

উত্তর:পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন হলে।


৩১) হাতে স্পিরিট বা ইথার ঢাললে ঠাণ্ডা অনুভূত হয় কেন?

উত্তর:কারণ স্পিরিট বা ইথার হাত থেকে লীনতাপ গ্রহণ করে বাষ্পীভূত হয়।


৩২) মাটির কলসির জল ঠাণ্ডা থাকে কেন?

উত্তর:মাটির কলসির গায়ে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। জলকণা ওই ছিদ্রপথে কলসির বাইরে বেরিয়ে আসে এবং বাষ্পীভূত হয়। বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ কলসির জল থেকে গৃহীত হয়, ফলে জল ঠাণ্ডা হয়ে যায়।


৩৩) হাত দিয়ে বরফ ধরলে ঠাণ্ডা লাগে কেন?

উত্তর:হাত দিয়ে বরফ ধরলে বরফ গলে জল হওয়ার সময় কিছু পরিমাণ লীনতাপ হাত থেকে গ্রহণ করে। ফলে হাতের যতটা অংশ বরফের সংস্পর্শে থাকে, সেই অংশে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়।


৩৪) জল দিয়ে ঘর মোছার পর মেঝে ঠাণ্ডা হয় কেন?

উত্তর:জল দিয়ে ঘর মোছা হলে সেই জল বাতাসের সংস্পর্শে বাষ্পীভূত হয়। এই বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ মেঝে থেকে গৃহীত হয়। তাই মেঝে ঠাণ্ডা হয়।


৩৫) গরমকালে কুকুর জিভ বের করে হাঁপায় কেন?

উত্তর:কুকুর জিভ বের করে হাঁপালে তার জিভ থেকে লালা ঝরে এবং বাষ্পীভূত হয়। এই বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ কুকুরের জিভ থেকে শোষিত হয়। এর ফলে কুকুরের জিভ ঠাণ্ডা হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও কুকুর কিছুটা আরাম বোধ করে।


৩৬) স্নান করার পর পাখা চালিয়ে তার নীচে দাঁড়ালে ঠাণ্ডা বোধ হয় কেন?

উত্তর:স্নান করার পর পাখা চালিয়ে তার নীচে দাঁড়ালে ঠাণ্ডা বোধ হয়, কারণ পাখার হাওয়ার কারণে দেহের উপরিভাগের জলের অতি দ্রুত বাষ্পীভবন ঘটে। এই বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ দেহ থেকেই গৃহীত হয়। তাই ঠাণ্ডা অনুভূত হয়।


৩৭) একটি পাত্রে জল রেখে রোদে রাখলে উবে যায় কেন?

উত্তর:রোদে জল রাখলে ওই জল সূর্যের থেকে তাপ গ্রহণ করে বাষ্পীভূত হয়। ফলে কিছু সময় পর দেখা যায় জল উবে গেছে।


৩৮) গরমকালে ঘরের জানলা দরজা খোলা রেখে ভেজা পর্দা টাঙানো হলে ঘর বেশ ঠাণ্ডা থাকে কেন?

উত্তর:গরমকালে ঘরের জানলা দরজা খোলা রেখে ভেজা পর্দা টাঙানো হলে ঘর বেশ ঠাণ্ডা থাকে। কারণ পর্দার জল পর্দা এবং ঘরের বাতাস থেকে লীনতাপ সংগ্রহ করে বাষ্পীভূত হয়। ফলে ঘরের উষ্ণতা কম হয় এবং আরাম বোধ হয়।


৩৯) বেশি জ্বর হলে কপালে জলপট্টি দেওয়া হয় কেন?

উত্তর:বেশি জ্বর হলে কপালে জলপট্টি দেওয়া হয়। কারণ ওই পট্টির জল বাষ্পীভূত হওয়ার সময় প্রয়োজনীয় লীনতাপ কপাল থেকে সংগ্রহ করে। এর ফলে কপাল ঠাণ্ডা হয় এবং দেহের তাপমাত্রা কমে।


৪০) ঠাণ্ডা শরবত বানানোর জন্য ঠাণ্ডা জল ও বরফের মধ্যে কোনটি বেশি ব্যবহার করবে এবং কেন?

উত্তর:ঠাণ্ডা শরবত বানানোর জন্য ঠাণ্ডা জল ও বরফের মধ্যে বরফ ব্যবহার করা উচিৎ। কারণ ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতার প্রতি গ্রাম বরফ। ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণতার জলে পরিণত হওয়ার সময় শরবতের উপকরণ থেকে ৪০ ক্যালোরি তাপ শোষণ করবে। ফলে ঠাণ্ডা জলের তুলনায় বরফ শরবতকে বেশি ঠাণ্ডা করতে পারবে।


৪১) গরম জলের সঙ্গে ঠাণ্ডা জল মেশালে গরম জলের উষ্ণতা কমে ও ঠাণ্ডা জলের উষ্ণতা বাড়ে। কেন এমন হয়?

উত্তর:দুটি ভিন্ন উষ্ণতার বস্তুকে পরস্পরের সংস্পর্শে আনলে অপেক্ষাকৃত গরম বস্তু থেকে অপেক্ষাকৃত শীতল বস্তুতে তাপ সঞ্চালিত হয়। গরম বস্তু তাপ ছেড়ে দেওয়ায় এর উষ্ণতা কমতে থাকে এবং ঠাণ্ডা বস্তু তাপ গ্রহণ করায় তার উষ্ণতা বাড়তে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে যতক্ষণ না উভয় বস্তুর উষ্ণতা সমান হয়। এই কারণের জন্যই গরম জলের সঙ্গে ঠাণ্ডা জল মেশালে গরম জলের উষ্ণতা কমে ও ঠাণ্ডা জলের উষ্ণতা বাড়ে।


৪২) মানুষের গা থেকে কখন দরদর করে ঘাম বেরোয়?

উত্তর:গরমকালে মানুষের শরীরের উষ্ণতা বেড়ে গেলে।


৪৩) মানুষের দেহের রক্তনালীর ব্যাস কখন বেড়ে যায়?

উত্তর:মানুষের দেহের উষ্ণতা বেড়ে গেলে।


৪৪) পরিবেশের তাপমাত্রা কমে গেলে আমাদের শরীর কিভাবে মানিয়ে নেয়?

উত্তর:পরিবেশের তাপমাত্রা খুব কমে গেলে আমরা শীতে কাঁপি। এর ফলে মাংসপেশির মধ্যে অবস্থিত গ্লাইকোজেন অণু বিশ্লিষ্ট হয় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড, জল ও তাপ উৎপন্ন হয়। এই তাপ আমাদের শরীরের তাপমাত্রা বজায় রাখে।


৪৫) পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আমাদের শরীর কিভাবে মানিয়ে নেয়?

উত্তর:পরিবেশের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে আমাদের ঘাম হয়। এই ঘাম বাইরের পরিবেশে বাষ্পীভূত হয় এবং শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লীনতাপ গ্রহণ করে আমাদের শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে।


৪৬) দেহের উষ্ণতা বা তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মানুষের শারীরবৃত্তীয় কাজকর্মের কি পরিবর্তন দেখা যায়?

উত্তর:দেহের উষ্ণতা বা তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মানুষের-

শ্বাসক্রিয়া বেড়ে যায়।

রক্তনালীর ব্যাস বৃদ্ধি পায়।

দেহ থেকে ঘাম বেরোনোর হার বেড়ে যায়।

খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমে যায়।

কাজকর্মে অনীহা দেখা যায়।


৪৭) গরম বালিতে যে ঠাণ্ডা রক্তের প্রাণীরা রোদ পোহায় তাদ্দের মধ্যে অন্যতম কে?

উত্তর:গিরগিটি।


৪৮) কোন গাছের পাতা দিনেরবেলা একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় খুলে যায় এবং রাতেরবেলা মুড়ে যায়?

উত্তর:শুশনি, বাবলা, রাধাচূড়া প্রভৃতি গাছের পাতা।


৪৯) পরিবেশের উষ্ণতা বেড়ে গেলে পাপড়ি খুলে যায় এমন একটি ফুলের নাম লেখ।

উত্তর:পদ্ম, গোলাপ।


৫০) কোন পাখিরা শরীরকে গরম রাখার জন্য গা জড়াজড়ি করে থাকে?

উত্তর:পেঙ্গুইন।


৫১) কোন কোন প্রাণীর শরীরে তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আছে?

উত্তর:স্তন্যপায়ী প্রাণী ও পাখিদের।


৫২) মেরু ভাল্লুকের দেহে কি কারণে ঘন লোম সৃষ্টি হয়েছে?

উত্তর:শরীরকে গরম রাখার জন্য।


৫৩) প্রাণীর দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা কাকে বলে?

উত্তর:পরিবেশের তাপমাত্রা যাই হোক না কেন কোনো কোনো প্রাণী তার শরীরের তাপমাত্রা একটি নির্দিষ্ট সিমার মধ্যে বজায় রাখার চেষ্টা করে। একেই প্রাণীর তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বলে।


৫৪) তাপ এবং উষ্ণতা বা তাপমাত্রার পার্থক্য লেখ।

তাপ উষ্ণতা বা তাপমাত্রা

১) তাপ হল একপ্রকার শক্তি, যা গ্রহণ করলে বস্তু উত্তপ্ত হয় এবং বর্জন করলে বস্তু ঠাণ্ডা হয়।
উষ্ণতা বা তাপমাত্রা হল বস্তুর এমন এক তাপীয় অবস্থা যা থেকে বোঝা যায়, বস্তুটি নিজের সংস্পর্শে থাকা অন্য বস্তুকে তাপ দেবে, না ওই বস্তু থেকে তাপ নেবে।
২) দুটি বস্তুর তাপের পার্থক্য তাদের মধ্যে তাপ প্রবাহের অভিমুখ নির্ধারণ করে না। ২)দুটি বস্তুর উষ্ণতা বা তাপমাত্রার পার্থক্য তাদের মধ্যে তাপ প্রবাহের অভিমুখ নির্ধারণ করে।

৩) গৃহীত বা বর্জিত তাপের পরিমাপ করা হয় ক্যালরিমিটারের সাহায্যে।
৩)উষ্ণতা বা তাপমাত্রা পরিমাপ করা হয় থার্মোমিটারের সাহায্যে।

Post a Comment

0 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.